আম্মুর কাছে ধরা 🫣
রিয়ানের বয়স চব্বিশ। ঢাকার একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স করছে। বাবা বিদেশে থাকেন, মা তানিয়া একাই সংসার সামলান। তানিয়া আন্টি চল্লিশের কাছাকাছি, কিন্তু দেখলে মনে হয় ত্রিশের নিচে। ফর্সা, টাইট শরীর, ভারী স্তন আর পিছনটা এমন যে রাস্তায় ছেলেরা ঘুরে ঘুরে দেখে। কিন্তু রিয়ানের চোখে মা শুধুই মা। তার আসল আকর্ষণ আনিকা।
আনিকা রিয়ানের কলেজেরই জুনিয়র। একদম পারফেক্ট। লম্বা চুল, বড় বড় চোখ, ঠোঁট দুটো যেন চুমু খাওয়ার জন্যই তৈরি। বয়স একুশ। ওর শরীরটা এমন যে টাইট জিন্স পরলে পুরো পুরুষ জাতি পাগল হয়ে যায়। ওদের প্রেমটা শুরু হয়েছিল লাইব্রেরিতে। প্রথমে চোখাচোখি, তারপর হাসি, তারপর চ্যাট। ছয় মাস ধরে ওরা গোপনে প্রেম করছে। কিন্তু শুধু চুমু আর আদরেই থেমে নেই। দুজনেই এখন আরও গভীরে যেতে চায়।
আজকের দিনটা ছিল পারফেক্ট। তানিয়া আন্টি সকালে বলে গিয়েছিলেন, “রিয়ান, আমি আজ সারাদিন বোনের বাসায় থাকব। রাতে ফিরব। খেয়ে নিস।” রিয়ানের বুকটা ধড়াস করে উঠেছিল। সে তৎক্ষণাৎ আনিকাকে মেসেজ করল, “আম্মু বের হয়ে গেছে। এখনই আয়। কেউ নেই।”
আনিকা আসার আধঘণ্টার মধ্যে দরজায় কলিংবেল বাজল। রিয়ান দরজা খুলতেই আনিকা ঝাঁপিয়ে পড়ল ওর বুকে। “আজ আমি তোমার। পুরোপুরি।” ওর গলায় আদর আর লজ্জা মেশানো। রিয়ান ওকে জড়িয়ে ধরে লিভিং রুমে নিয়ে এল। দুজনের ঠোঁট আটকে গেল একসাথে। জিভ জিভে খেলা। আনিকার নরম স্তন রিয়ানের বুকে চেপে যাচ্ছিল। রিয়ানের হাত পিছনে নেমে ওর নিতম্ব চেপে ধরল।
“ঘরে চল…” আনিকা ফিসফিস করে বলল। রিয়ান ওকে কোলে তুলে নিয়ে নিজের বেডরুমে নিয়ে গেল। দরজা বন্ধ করে আনিকাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। আনিকার টপটা এক টানে খুলে ফেলল রিয়ান। সাদা লেসের ব্রা-টা দেখে ওর লিঙ্গটা তক্ষুনি শক্ত হয়ে উঠল। আনিকা লজ্জায় চোখ বন্ধ করল। রিয়ান ব্রা-টা খুলে ওর দুটো গোলাপি স্তন বের করে আনল। নিপল দুটো ইতিমধ্যে শক্ত। রিয়ান একটা নিপলে মুখ দিয়ে চুষতে শুরু করল। আনিকা কেঁপে উঠে “উফফ… রিয়ান…” বলে ওর চুলে হাত চালাতে লাগল।
রিয়ানের হাত নেমে গেল আনিকার শর্টসের ভিতর। প্যান্টি ভিজে একসা। আঙুল ঢুকিয়ে দিতেই আনিকা কেঁপে উঠল। “আহ্… আরও জোরে…” রিয়ান দুই আঙুল ঢুকিয়ে আস্তে আস্তে নড়াতে লাগল। আনিকার বোদা থেকে রস গড়িয়ে পড়ছিল। রিয়ান আর সহ্য করতে পারল না। ওর শর্টস আর প্যান্টি একসাথে খুলে ফেলল। আনিকার কামানো বোদাটা দেখে ওর মুখটা নেমে গেল সেখানে। জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করল। আনিকা দুই পা ফাঁক করে রিয়ানের মাথা চেপে ধরল। “আআহ্… রিয়ান… আমি যাচ্ছি… উফফফ…”
প্রথম অর্গাজমটা এসে গেল আনিকার। শরীরটা কেঁপে থরথর করতে লাগল। রিয়ান উঠে নিজের প্যান্ট খুলল। ওর লম্বা, মোটা লিঙ্গটা লাফিয়ে বেরিয়ে পড়ল। আনিকা চোখ বড় করে তাকিয়ে বলল, “আজ প্রথমবার… ধীরে ধীরে ঢোকাও প্লিজ।”
রিয়ান আনিকার উপর শুয়ে লিঙ্গের মাথাটা বোদায় ঘষতে লাগল। তারপর একটু চাপ দিয়ে ঢুকিয়ে দিল। আনিকা কামড়ে ধরল রিয়ানের কাঁধ। “আহ্… লাগছে… কিন্তু ভালো লাগছে…” রিয়ান ধীরে ধীরে পুরোটা ঢুকিয়ে দিল। তারপর শুরু হলো ধীর লয়ের চোদন। আনিকার স্তন দুটো লাফাচ্ছিল। রিয়ান এক হাতে স্তন চেপে, অন্য হাতে আনিকার কোমর ধরে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগল।
“আরও জোরে… চোদো আমাকে… তোমার বানিয়ে নাও…” আনিকা চিৎকার করে উঠল। রিয়ানের ঘাম ঝরছিল। দুজনের শরীর এক হয়ে গিয়েছিল। ঘরে শুধু চাপ চাপ শব্দ আর আনিকার আদুরে কান্না।
ঠিক তখনই…
বেডরুমের দরজা হঠাৎ খুলে গেল।
তানিয়া আন্টি দাঁড়িয়ে। হাতে মার্কেটের ব্যাগ। চোখ দুটো বড় বড়।
রিয়ান আর আনিকা দুজনেই পাথর হয়ে গেল। রিয়ানের লিঙ্গ তখনও আনিকার ভিতরে ঢোকানো। আনিকা লজ্জায় চোখ বন্ধ করে ফেলল। কিন্তু সরাতেও পারল না।
তানিয়া আন্টি কয়েক সেকেন্ড চুপ করে তাকিয়ে রইলেন। তারপর ধীরে ধীরে বললেন, “রিয়ান… এটা কী করছিস তুই?”
রিয়ানের গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। “আম্মু… আমি… আমরা…”
তানিয়া আন্টি দরজা বন্ধ করে ভিতরে ঢুকলেন। ব্যাগটা টেবিলে রেখে বিছানার পাশে এসে দাঁড়ালেন। ওদের দুজনের নগ্ন শরীরের দিকে তাকিয়ে তাঁর গাল লাল হয়ে গেল। কিন্তু চোখে রাগ নয়, একটা অদ্ভুত হাসি।
“আমি জানতাম।” তানিয়া আন্টি ফিসফিস করে বললেন। “তোর ফোনের নোটিফিকেশন দেখে বুঝতাম। আজও আমি ইচ্ছে করে তাড়াতাড়ি ফিরে এসেছি। দেখতে চেয়েছিলাম… কতটা সাহস তোর।”
আনিকা চোখ খুলল। লজ্জায় কাঁপছিল। কিন্তু তানিয়া আন্টি ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। “লজ্জা পাস না মা। আমিও তো একসময় তোর বয়সে ছিলাম। তোর বাবার সাথে প্রথমবার ধরা পড়েছিলাম আমার আম্মুর কাছে।”
রিয়ান অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। তানিয়া আন্টি হেসে বললেন, “কিন্তু আজ আমি তোদের ধরব না। বরং… তোদের শেখাব।”
তিনি ধীরে ধীরে নিজের শাড়ির আঁচল সরালেন। ভিতরে কালো লেসের ব্রা। “আনিকা, তুই উপরে উঠে বস। রিয়ানের উপর। আমি দেখাব কীভাবে সত্যিকারের আনন্দ পেতে হয়।”
আনিকা লজ্জায় কাঁপতে কাঁপতে উঠে বসল রিয়ানের উপর। রিয়ানের লিঙ্গ এখনও শক্ত। আনিকা আস্তে আস্তে নিজের বোদায় বসিয়ে দিল। তানিয়া আন্টি পিছন থেকে আনিকার স্তন চেপে ধরলেন। “এভাবে নড়… জোরে জোরে…”
রিয়ানের চোখ বড় হয়ে গেল। তানিয়া আন্টি নিজের ব্রা খুলে ফেললেন। তাঁর ভারী স্তন দুটো ঝুলে পড়ল। তিনি আনিকার পিছনে বসে ওর কোমর ধরে উপর-নিচে করাতে লাগলেন। আনিকা আর রিয়ান দুজনেই একসাথে কেঁপে উঠল।
“আম্মু… এটা…” রিয়ানের গলা কাঁপছিল।
তানিয়া আন্টি হেসে ওর ঠোঁটে আঙুল দিয়ে চুপ করিয়ে দিলেন। “আজ থেকে আমরা তিনজন। কোনো লুকোছাপা নেই। আনিকা, তুই আমার বউমা হয়ে যা। আর রিয়ান… তুই আমাদের দুজনকেই সুখ দিবি।”
তিনজনের শরীর এক হয়ে গেল সেই বিকেলে। তানিয়া আন্টি আনিকাকে শেখাতে লাগলেন কীভাবে রিয়ানকে আরও বেশি আনন্দ দিতে হয়। রিয়ান দুজনের স্তন একসাথে চুষছিল। আনিকার বোদায় চোদছিল, আর তানিয়া আন্টি নিজের আঙুল দিয়ে আনিকার পিছনের ছিদ্র খেলছিলেন।
রাত নেমে গেল। তিনজন ঘামে ভিজে বিছানায় শুয়ে আছে। আনিকা রিয়ানের বুকে মাথা রেখে, তানিয়া আন্টি দুজনের মাঝে। তানিয়া আন্টি ফিসফিস করে বললেন, “এবার থেকে প্রতি শুক্রবার আম্মু বোনের বাসায় যাব। তোরা দুজন… আর আমি… একসাথে।”
রিয়ান আনিকার ঠোঁটে চুমু খেল। আনিকা তানিয়া আন্টির স্তনে হাত বুলিয়ে দিল।
কেউ আর লুকিয়ে থাকল না।
আম্মুর কাছে ধরা পড়ার পর থেকেই ওদের প্রেমটা হয়ে গেল তিনজনের রহস্যময়, গোপন, কিন্তু অসম্ভব উত্তেজক একটা সম্পর্ক।
আর প্রতি শুক্রবার বিকেলে তানিয়া আন্টির ঘরে শুধু আদর আর চোদনের শব্দই ভেসে বেড়াত।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
ধন্যবাদ! কমেন্ট বক্সে কোনো প্রকার লিংক বা খারাপ শব্দ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।